ওয়েবসাইট নিয়ে নতুন কাজ শুরু করতে চাচ্ছি। কিভাবে শুরু করবো? পার্ট – ১

হ্যালো প্রিয় ভিজিটর গণ, আশা করি সকলে অনেক ভালো আছেন। আপনাদের কে আমাদের এই সাইটে আমার পক্ষ থেকে জানাই স্বাগতম। আজকের পোস্ট এ আমি আপনাদের সাথে ওয়েব সাইট নিয়ে নতুন কাজ শুরু করবো, কিন্তু প্রথমে কী করবো এই বিষয় টি নিয়ে কথা বলবো। তো চলুন দেরি না করে পোস্ট টি শুরু করে দেওয়া যাক।

আসসালামু আলাইকুম, সকলেই আশা করি ভালো আছেন। আপনি কী ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন? তাও আবার আপনি এই ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করাতে একেবারে নতুন? যদি আপনি ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করাতে একেবারে নতুন তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য। এই পোস্ট এ আপনাদের দেখাতে চলেছি, ওয়েব সাইট নিয়ে নতুন কাজ শুরু করতে গেলে প্রথমেই কী কী কাজ করতে হবে।

বর্তমানে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার অন্যতম উৎস হয়ে দাড়িয়েছে ওয়েব সাইট বানিয়ে সেখান থেকে টাকা আয় করার। কিন্তু কাজ টা শুনে যতটা সহজ মনে হলো ততটাও সহজ নয়। আবার একেবারে কঠিন ও না। তবে যারা একেবারে নতুন তাদের জন্য অবশ্য সমস্যা একটু বেশি ই হবে।

তবে নতুন রা যদি একটি সঠিক গাইড লাইন পায় তাহলে আশা করা যায় খুব বেশি কঠিন হবে না। তো এই গাইডলাইন টা নিয়ে আমি আজকের পোস্ট টি লিখলাম। যারা ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করতে চান এবং যারা একেবারে নতুন এই কাজ এ আশা করছি তাদের জন্য এই পোস্ট টা অনেক কাজে লাগবে। তো চলুন এবার দেখে নেওয়া যাক পুরো বিষয় টা।

ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করতে গেলে প্রথমে কী কী করতে হবে?

এই টপিক টি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। কেননা এটি হলো একটি প্রথম ধাপ আপনার অনলাইন জগতে ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করার। এই সকল বিষয় গুলো একেবারে সঠিক ভাবে করবেন। যদি ভূল ভাল কিছু করে ফেলেন পরে এর জন্য আপনার ই ক্ষতি হবে। তো চলুন যেনে নিই ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করতে গেলে প্রথমেই কী কী করতে হয়।

১. সঠিক ওয়েবসাইট বেছে নিন

জ্বী, প্রথমেই আমি বলবো সঠিক ওয়েব সাইট বেছে নিতে। অনলাইনে আপনারা বিভিন্ন ধরনের ওয়েব সাইট পেয়ে যাবেন, যেমনঃ ব্লগ সাইট, ই – কমার্স সাইট ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে এখান থেকে আপনাকে চুজ করতে হবে যে আপনি প্রথমে কাজ কোনটি দিয়ে শুরু করবেন।

তবে যদি আমার থেকে মতামত চান তাহলে আমি বলবো ব্লগ সাইট দিয়ে প্রথমে কাজ শুরু করুন। কেননা এই সাইটে কাজ করা খুব একটা কঠিন না। এবং কয়েকটি স্টেপ যদি ঠিক ঠাক মতো করেন তাহলে কিন্তু আপনি ওয়েব সাইট বানিয়ে আয় করতে সক্ষম হবেন।

তবে আপনারা কী জানেন ব্লগ সাইট কি? যদি না জানেন ব্লগ সাইট কী তাহলে কীভাবে কাজ করবেন? আচ্ছা আপনাদের জন্য আমি জানিয়ে দিচ্ছি ব্লগ ওয়েব সাইট আসলে কী?

 

ব্লগ ওয়েব সাইট কী?

ব্লগ ওয়েব সাইট কে বলা যায় ডিজিটাল নিউজ পেপার। এর মানে হলো ব্লগ সাইট এমন একটি সাইট যেখানে নানা ধরণের নানা বিষয়ে আপনারা জানতে পারবেন। আর সেগুলো লিখা থাকবে খবরের কাগজে যেভাবে থাকে সেভাবে।

যেমন, আপনারা এখন যে আমাদের এই সাইট TempNMail.com থেকে এই আর্টিকেল টি পড়ছেন। এটা পড়ে আপনারা কিছু জানতে পারছেন। এর মানে হলো এটি অনেকরা খবরের কাগজ এর মতো কাজ করছে। অর্থাৎ এটিও একটি ব্লগ ওয়েব সাইট।

আর ই – কমার্স ওয়েব সাইট গুলো হলো, Daraz.com.bd , Alibaba.com ইত্যাদি এর মতো পণ্য ক্রয় ও বিক্রয় ওয়েব সাইট। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

আপনারা যদি প্রথম স্টেপ থেকে ঠিক করেন যে ব্লগ ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করবেন তাহলে আপনারা এই পোস্ট টি এর বাকি অংশ পড়তে পারেন। তবে যদি আপনারা ঠিক করেন যে ই – কমার্স ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করবেন তাহলে আপনাদের জন্য এই আর্টিকেল এর বাকি অংশ কোনো কাজের না। কেননা আমি এর পর থেকে পুরো টা ব্লগ নিয়ে গাইড লাইন দিবো। তো আপনারা ই – কমার্স চুজ করে থাকলে অন্য কোনো ওয়েব সাইট বা ইউটিউব থেকে টিউটোরিয়াল নিতে পারেন।

তো চলুন এবার ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করার জন্য প্রথমে কী কী করতে হবে তার ২য় স্টেপ এ চলে যাই।

২. সঠিক ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করুন

সঠিক ডোমেইন ও হোস্টিং চুজ করাও কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। কেননা কোন ডোমেইন ও হোস্টিং ভালো হবে? কোন সাইট থেকে এগুলো কিনবো? ইত্যাদি প্রশ্ন থাকে আপনাদের মাথায়। আজকের সেগুলোর ও সব কিছুর সমাধান পাবেন আপনারা। তবে এর আগে আমাদের জেনে নেওয়া উচিৎ যে ডোমেইন ও হোস্টিং কী? কেননা অনেকেই এগুলো জানেন না। তো চলুন জেনে নিই।

ডোমেইন কী?

ডোমেইন হলো একটি ওয়েব সাইট এর স্বতন্ত্র একটি নাম। হয়তো বুঝলেন না। ওকে, আমি বুঝাচ্ছি। আপনারা এখন যে ওয়েব সাইট থেকে আর্টিকেল পড়ছেন মানে Tempnmail.com এই ওয়েব সাইট টি তে Tempnmail হলো ডোমেইন এর নাম এবং .com হলো সাইটের ডোমেইন। এখন এই দুইটা যদি আমরা একসাথে করি তাহলে আমরা একটি নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে চলে যাবো।

হোস্টিং কী?

আপনার কাছে কী একটা স্মার্ট ফোন আছে? সেটার স্টোরেজ কত? কত আর হবে ৮, ১৬, ৩২, ৬৪, ১২৮ জিবি ইত্যাদি ইত্যাদি। এই স্টোরেজ এ আপনারা কী রাখেন বিভিন্ন এপ, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি কত কী তাই না।

এখন প্রশ্ন, আমি এগুলো বলছি কেনো? আরে ভাই ওয়েট, এগুলো বলার ও কারণ আছে। কেননা হোস্টিং ঠিক আপনার মোবাইল এর স্টোরেজ এর মতোই। আপনি ডোমেইন কিনলেন কিন্তু সেই ডোমেইন এ কিভাবে কিছু রাখবেন যদি না ডোমেইন এর হোস্টিং ই না থাকে?

জ্বী, হোস্টিং মূলত ডোমেইন এর স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে। এক কথায় বলা যায়, একটি ওয়েব সাইটের বিভিন্ন তথ্যকে একত্রে রাখার জন্য যে তথ্য ভান্ডার ব্যবহার করা হয় তাকেই হোস্টিং বলে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে ডোমেইন ও হোস্টিং কী। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক কয়েকটি টপ লেভেল ডোমেইন সম্পর্কে।

কয়েকটি টপ লেভেল ডোমেইন

1) .com
2) .gov
3) .org
4) .info
5) .net
6) .me

এগুলো হলো টপ লেভেল ডোমেইন। এখন আপনাদের একটি প্রশ্ন থাকতে পারে, ভাই এখানে .xyz ডোমেইন নেই কেনো? জ্বী, .xyz কে একটি টপ লেভেল ডোমেইন বলা আসলেই অনেক টা অযুক্তি পূর্ণ। কেননা .xyz ডোমেইন এ বেশি পরিমাণ ম্যালওয়্যার ভাইরাস এটার্ক করে। এবং ওয়েব সাইটে এডসেন্স পাওয়ার পর এই ডোমেইন এ অনেক বেশি পরিমাণ বট এটার্ক ও হয়। ফলে সাইটের অনেক ক্ষতি হতে পারে।

তবে এর মানে এটা নয় যে .xyz একেবারে ফালতু ডোমেইন। না এটাও অনেক ভালো তবে সমস্যা তো উপরে বললাম ই। এখন আপনাদের ব্যাপার আপনি এটা ব্যবহার করবেন কী না।

আজকে আর লিখবো না। আজকে এতটুকুই। আমি এই আর্টিকেল এর পরবর্তী পার্ট ও খুব শিঘ্রই নিয়ে আসার চেষ্টা করবো। পরবর্তী পোস্ট এ এর পর থেকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো।

তো ভিজিটর গণ আশা করি পোস্ট টি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। ভালো লেগে থাকলে কিন্তু অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আর এরকম পোস্ট পেতে প্রতিদিন ভিজিট করতে থাকুন আমাদের এই সাইট টি। আবার দেখা হবে পরবর্তী কোনো পোস্ট এ। সে পর্যন্ত সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেয।

One Comment on “ওয়েবসাইট নিয়ে নতুন কাজ শুরু করতে চাচ্ছি। কিভাবে শুরু করবো? পার্ট – ১”

Leave a Reply

Your email address will not be published.